শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শাহজাহান হেলাল, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি::
ফরিদপুরের মধুখালীতে মঙ্গলবার ভোরে এবং সোমবার গভীর রাতে মধুখালীতে পুলিশ ও র্যাবের পৃথক অভিযানে বিকাশ প্রতারণা চক্রের ৭সদস্য কে আটক করা হয়েছে।
ফরিদপুর র্যাব-৮ এর সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ডুমাইন গ্রামে বিশেষ আভিযানিক দল সোমবার (৯ নভেম্বর) গভীর রাতে এ অভিযান পরিচালনা করে বিকাশ প্রতারক চক্রের ৩ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করে।
তারা হলেন- উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন গ্রামের মো. আকবর মোল্লার ছেলে মো. নূর আলম মোল্লা (১৯), মো. সাজ্জাদ আলী কনক এর ছেলে মো. শাহারুপ শেখ ওরফে অমি (১৮) এবং মো. জিন্নাহ শেখ এর ছেলে মো. শাকিল শেখ (১৯)।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ভোরে মধুখালী থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ডুমাইন গ্রামের হাবিবুর সেখের ছেলে তুহিন সেখ (৩৫), সহিদুল সেখের ছেলে সুজন সেখ (২৫), হাতেম আলী সেখের ছেলে সজিব সেখ (২৫) এবং দেলোয়ার মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (২০) কে আটক করে।

র্যাক-৮ ও পুলিশ সুত্র জানান, বিকাশ প্রতারণার অভিযোগে ৭ সদস্যকে আটকরা হয়। এ সময় প্রতারক চক্রের সদস্যেদের থেকে বিকাশ প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত ১৬টি মোবাইল ফোন ও ২৭ টি সীমকার্ড জব্দ করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিগণ বিকাশ প্রতারনার মাধ্যমে জনসাধারনের নিকট হতে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করেন। বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন দুর্নীতি পরায়ণ মোবাইল সীম বিক্রেতার সাথে পরস্পর যোগসাজস করে ভূয়া নামে সীম কার্ড রেজিস্ট্রেশন ও উক্ত সীমকার্ড ব্যবহার করে অসাধু ডিএসআর(বিকাশ এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বিকাশ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগকৃত এ্যজেন্ট) গণের মাধ্যমে ভূয়া বিকাশ এ্যাকাউন্ট খোলে।
এছাড়া নিজেকে বিকাশ হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন করে কৌশলে তাদের বিকাশ পিন কোড জেনে নেয় এবং স্মার্ট ফোনে বিকাশ এ্যাপস্ ব্যবহার করে উক্ত সাধারণ লোকজনের বিকাশ এ্যাকাউন্ট হতে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়। আটককৃত ৭ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার মধুখালী থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান আছে।